বটতলার পেতনি
শ্রাবণের এক ঝড়ের রাতে হাটফেরত রিকশাচালক মতিন আশ্রয় নিয়েছিল বটতলার পুরোনো ছাউনিতে। সেখানে আগে থেকেই বসে ছিল এক ভেজা শাড়ির বউ—যার পায়ের পাতা উল্টো দিকে ফেরানো।
- ৫ মিনিট
- ২.৩ হাজার বার পড়া হয়েছে
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ট্যাগ
শ্রাবণের এক ঝড়ের রাতে হাটফেরত রিকশাচালক মতিন আশ্রয় নিয়েছিল বটতলার পুরোনো ছাউনিতে। সেখানে আগে থেকেই বসে ছিল এক ভেজা শাড়ির বউ—যার পায়ের পাতা উল্টো দিকে ফেরানো।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রামের সবাই বলত, নদীর ধারের কুঁড়েঘরের বুড়ি ডাইনি—পূর্ণিমার রাতে সে উঠানে বসে কারও নাম ধরে সুতো পাকায়। যেদিন বুড়ি মারা গেল, সেদিন জানা গেল নামগুলো কাদের।
৩১ আগস্ট ২০২৬
সিরিজ: জিনের চিঠি · পর্ব ২
ঠিকাদার জব্বার শেখ কারও কথা শোনেননি। করাত নিয়ে রাতের অন্ধকারে বুড়া বটের কাছে গিয়েছিলেন। ভোরে আনোয়ার মাস্টারের টেবিলে এল শেষ চিঠি—আর সেই চিঠিতে লেখা ছিল তাঁর দাদাজানের নাম।
২৩ আগস্ট ২০২৬
সিরিজ: জিনের চিঠি · পর্ব ১
হাওরপাড়ের এক প্রাইমারি স্কুলে বদলি হয়ে এলেন আনোয়ার মাস্টার। প্রথম রাতেই টেবিলের ওপর পাওয়া গেল একটা চিঠি—আতরের গন্ধ মাখা, প্রেরকের জায়গায় লেখা শুধু: প্রতিবেশী।
৯ আগস্ট ২০২৬
কবরস্থান দিয়ে শর্টকাট নিলেই বিপদ। কেউ যেন পেছন থেকে নাম ধরে ডাকে, অথচ পেছনে ফিরলে কেউ নেই।
২৪ জুলাই ২০২৬
গ্রামের শেষ মাথার বাঁশবাগান পেরোলেই স্কুল। সন্ধ্যার পর ওই পথে হাসির শব্দ শোনা যায়, অথচ আশেপাশে কেউ থাকে না।
১১ জুলাই ২০২৬
নানুবাড়ির পেছনের পরিত্যক্ত কুয়াটা টিন দিয়ে ঢাকা থাকত। দশ বছরের তিতলি একদিন টিন সরিয়ে নিচে তাকিয়েছিল—আর অন্ধকার পানির ভেতর থেকে কেউ তার দিকে তাকিয়ে হেসেছিল।
৬ জুলাই ২০২৬