বটতলার পেতনি
শ্রাবণের এক ঝড়ের রাতে হাটফেরত রিকশাচালক মতিন আশ্রয় নিয়েছিল বটতলার পুরোনো ছাউনিতে। সেখানে আগে থেকেই বসে ছিল এক ভেজা শাড়ির বউ—যার পায়ের পাতা উল্টো দিকে ফেরানো।
- ৫ মিনিট
- ২.৩ হাজার বার পড়া হয়েছে
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আর্কাইভ
শ্রাবণের এক ঝড়ের রাতে হাটফেরত রিকশাচালক মতিন আশ্রয় নিয়েছিল বটতলার পুরোনো ছাউনিতে। সেখানে আগে থেকেই বসে ছিল এক ভেজা শাড়ির বউ—যার পায়ের পাতা উল্টো দিকে ফেরানো।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুক্তাগাছার এক ভাঙা জমিদারবাড়িতে ছবি তুলতে গিয়েছিল তিন বন্ধু। সন্ধ্যা নামতেই নাচঘরের ঝাড়বাতি দুলে উঠল, আর বহু দূর থেকে ভেসে এল ঘুঙুরের শব্দ—যে ঘুঙুর একশো বছর ধরে থেমে আছে।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হলের চারতলায় ৪১৩ নম্বর রুমটা বারো বছর ধরে তালাবদ্ধ। নতুন সিট বরাদ্দের তালিকায় হঠাৎ সেই রুমের নাম এল, আর প্রথম রাতেই দরজায় টোকা—ঠিক তিনটা বেজে তেরো মিনিটে।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাত নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম নাইট ডিউটি পড়ল ইন্টার্ন ডাক্তার নাদিয়ার। রাত দুটোয় বেড নম্বর উনিশ থেকে ডাক এল—অথচ সেই বেড গত তিন দিন ধরে খালি।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রামের সবাই বলত, নদীর ধারের কুঁড়েঘরের বুড়ি ডাইনি—পূর্ণিমার রাতে সে উঠানে বসে কারও নাম ধরে সুতো পাকায়। যেদিন বুড়ি মারা গেল, সেদিন জানা গেল নামগুলো কাদের।
৩১ আগস্ট ২০২৬
সিরিজ: জিনের চিঠি · পর্ব ২
ঠিকাদার জব্বার শেখ কারও কথা শোনেননি। করাত নিয়ে রাতের অন্ধকারে বুড়া বটের কাছে গিয়েছিলেন। ভোরে আনোয়ার মাস্টারের টেবিলে এল শেষ চিঠি—আর সেই চিঠিতে লেখা ছিল তাঁর দাদাজানের নাম।
২৩ আগস্ট ২০২৬
রাত তখন ১টা ৪৭। স্টেশনটা অনেক আগেই ফাঁকা হয়ে গেছে। শেষ ট্রেন চলে যাওয়ার পর ছোট্ট স্টেশনগুলো কেমন যেন অন্যরকম হয়ে যায়।
২০ আগস্ট ২০২৬
সিরিজ: রাতের বাড়ি · পর্ব ৩
পূর্ণিমার রাতে আবার খুলে যায় উঠানের কল। আয়নার পেছনের দেয়াল ভাঙতেই বেরিয়ে আসে ষাট বছরের পুরোনো এক সত্য—আর বাড়ির ভেতরে জেগে ওঠে আরেকজন, যে কখনো চলে যায়নি।
১৬ আগস্ট ২০২৬
সিরিজ: জিনের চিঠি · পর্ব ১
হাওরপাড়ের এক প্রাইমারি স্কুলে বদলি হয়ে এলেন আনোয়ার মাস্টার। প্রথম রাতেই টেবিলের ওপর পাওয়া গেল একটা চিঠি—আতরের গন্ধ মাখা, প্রেরকের জায়গায় লেখা শুধু: প্রতিবেশী।
৯ আগস্ট ২০২৬
সিরিজ: রাতের বাড়ি · পর্ব ২
চিলেকোঠার ট্রাঙ্কে পাওয়া গেল ১৯৬৪ সালের একটা ডায়েরি আর একটা ছোট ফ্রক। নূরী নামের মেয়েটা এ বাড়িতেই থাকত—আর যেদিন সে হারিয়ে যায়, সেদিনও উঠানের কল সারা রাত খোলা ছিল।
২ আগস্ট ২০২৬
পূর্ণিমার রাতে মেঘনার মাঝখানে একটা ছইওয়ালা নৌকা ভাসে, বৈঠা নেই, পাল নেই। জেলেরা বলে, ওই নৌকার মাঝিকে যে ডাক দেয়, সে পার হয়ে যায়—কিন্তু কোন পারে, সেটা কেউ জানে না।
২৭ জুলাই ২০২৬
কবরস্থান দিয়ে শর্টকাট নিলেই বিপদ। কেউ যেন পেছন থেকে নাম ধরে ডাকে, অথচ পেছনে ফিরলে কেউ নেই।
২৪ জুলাই ২০২৬