স্কন্ধকাটার শেষ ট্রেন
রাত বারোটার লোকাল ট্রেনে একা এক যাত্রী। প্ল্যাটফর্মের লোকটা হাত নাড়ছে ঠিকই, কিন্তু তার কাঁধের ওপর মাথাটা নেই।
বাংলার লোকমুখে ছড়িয়ে থাকা ভূতের গল্প এখন একজায়গায়। শুনুন, পড়ুন কিংবা দেখুন — শুধু বাংলাদেশের পাঠক ও শ্রোতাদের জন্য বানানো।
এক একটা গল্প এক এক রকম ভয় ধরায়। তাই আমরা তিনটি ভিন্ন মাধ্যমে গল্প সাজিয়েছি — যেভাবেই শুনতে চান।
রাতের নিস্তব্ধতায় কানে বাজুক গা ছমছমে গল্প। স্থানীয় কণ্ঠশিল্পীদের গলায় রেকর্ড করা, হেডফোনে শোনার জন্য তৈরি।
মুখে মুখে ফেরা গ্রামবাংলার ভূতের গল্প এখন লেখা আকারে। পড়ুন একলা, মাঝরাতে, আলো নিভিয়ে।
স্বল্পদৈর্ঘ্যের দৃশ্যে বাংলার ভূতের জগৎ। অন্ধকার ঘর, পোড়ো বাড়ি, বাঁশবাগানের গা ছমছমে দৃশ্যায়ন।
ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম থেকে জমিদারবাড়ির সিঁড়ি — বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোককথা থেকে বাছাই করা গল্প।
রাত বারোটার লোকাল ট্রেনে একা এক যাত্রী। প্ল্যাটফর্মের লোকটা হাত নাড়ছে ঠিকই, কিন্তু তার কাঁধের ওপর মাথাটা নেই।
গ্রামের শেষ মাথার বাঁশবাগান পেরোলেই স্কুল। সন্ধ্যার পর ওই পথে হাসির শব্দ শোনা যায়, অথচ আশেপাশে কেউ থাকে না।
পুরনো জমিদারবাড়ির শেওলা ধরা সিঁড়িতে রাতবিরেতে শোনা যায় নূপুরের শব্দ। কেউ সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠে, অথচ পায়ের ছাপ পড়ে না।
কবরস্থান দিয়ে শর্টকাট নিলেই বিপদ। কেউ যেন পেছন থেকে নাম ধরে ডাকে, অথচ পেছনে ফিরলে কেউ নেই।
এক সময় ভূতের গল্প শোনা যেত উঠোনে, মাদুর পেতে, দাদি-নানির মুখে। কুপিবাতির আলো কমে এলে গলার স্বর নেমে আসত ফিসফিসে, আর শোনা যেত কাঠবাদামগাছের ওপারের গল্প।
প্রযুক্তি বদলেছে, ভয় বদলায়নি। bhoot.bd সেই মুখে মুখে ফেরা গল্পগুলো ধরে রাখছে, নতুন প্রজন্মের কানে আর চোখে পৌঁছে দিচ্ছে — বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার, প্রতিটি গ্রামের নিজস্ব ভূতের গল্প নিয়ে।
প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি মহল্লায় একটা করে ভয়ের গল্প থাকে যা শুধু ওখানকার মানুষ জানে। লিখে বা রেকর্ড করে পাঠান, বাছাই করা গল্প প্রকাশিত হবে কণ্ঠশিল্পীর গলায়।